বীরশ্রেষ্ঠ! কি নানা কি দাদাবাড়ী যাওয়ার প থে বাধ্যতামূল ভাবেই কামারখালীর উপর দিয়ে গড়াই সেতু পেরিয়েই যেতে হয়। প্রত্যেকবার গড়াই সেতু আসার আগেই কামারখালী থেকেই ডানপাশে তাকিয়ে থাকি- ১টি বাড়ীর আশায়। যার দেয়ালে বড় বড় করে লিখা আছে “বীরশ্রেষ্ঠ মুন্শী আবদূর রঊফের বাড়ী”। কি যেতে কি আসতে, আমার ভুল হয় না; নিজের অজান্তেই চোখ ওদিকেই চলে যায়। মুন্শী আবদূর রঊফ- বাংলাদেশের ৭ শ্রেষ্ঠ বীরের ১জন, যারা সাহসীকতায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন। মুন্শী আবদূর রঊফের পিতা মুন্শী মাহ্দী হাসান ছিলেন স্থানীয় মাসজিদের পেশ-ইমাম। পিতা ও মাতা উভয়ের দিক দিয়েই তিনি ছিলেন মুন্শী বংশের সন্তান। ফার্সী শিক্ষিত পন্ডিত ব্যক্তিকে মুন্শী বলা হতো, তার পিতা ও দাদা ছিলেন দরিদ্র আলেম। কিন্তু তার মা মুকীদুন্নেসা ছিলেন ধনী পরিবারের সন্তান। ১৯৪৩ সালের মে দিবসে মুন্শী দম্পতির ২য় সন্তান জন্মগ্রহণ করলে তার নাম রাখা হয় মুন্শী আবদূর রঊফ, ডাকনাম ‘মিত্তাল’- যেটি গণমাধ্যমের কেউই জানেন না। উনার বড় বোনের নাম জোহ্রা বেগম ও ছোট বোনের নাম হাজেরা বেগম। জন্মস্থানঃ সালামতপুর গ্রাম, বোয়ালমারী থানা, জেলা-ফারীদপুর। বর্তমা...
পোস্টগুলি
কে মহিয়সী নারী? (নওয়াব ফাইয-উন-নিসা বনাম বেগম রোকেয়া)
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
শুরুতেই বলে নিচ্ছি- আমার ১টা অভ্যাস আছে, কারও নাম আমার জানামতে অশুদ্ধ/ভুল হলে আমি তা শুদ্ধ করেই লিখি। তা সে অশুদ্ধ নামের যেই বিখ্যাত ব্যক্তিই হোক না কেন! কিন্তু তাদের ক্ষেত্রেই আমি এটা করি না, যারা আমার অতিশয় ঘৃণার পাত্র/পাত্রী- বেগম রোকেয়া তার অন্যতম। রোকেয়া নয়-রুকাইয়া, রাছূল(ছঃ) এর আদরের কন্যা ও উছমান(রাঃ)’র ২ জ্যোতির ১টি জ্যোতির নাম। তার কাজকর্মই গালি গালাজ খাওয়ার উপযুক্ত তাই আমি বেগাম রুকাইয়া না লিখে তার বিকৃত নাম বেগম রোকেয়া নামেই এই লেখায় তাকে অভিহিত কোরব। ১৯৭১ সালের বহু আগে থেকেই দুই দিনের বৈরাগীরা বাংলায় এই নষ্ঠ প্রথার চালু করেছিলো যে- ইসলামী ভাবধারার বিরুদ্ধে যেই লিখবে তাকেই মহান বানানো হবে। সে চুনোপুটি হলেও তাকে রাঘব-বোয়ালে রুপান্তরিত করা হবে। মূলত ব্রিটিশ যুগে বহু জমীন্দার ও নব্য অভিজাতের আর্বিভাব হলে তাঁদের মাথায় এই চিন্তায় বেশি কাজ করে যে- কিভাবে নিজেকে জাহির করা যায়? নিজেকে জাহির করার মাধ্যম হিসেবেই তারা শাসকগোষ্ঠী পদলেহন মূলক কাজ করতো- যাতে শাসকগোষ্ঠীর সুনজরেও পরে আর বিখ্যাতও বনে যায়। নারী শিক্ষার অগ্রদূত হিসেবে খ্যাত এই বে-গুণ রেকেয়াও ছিলো এমনই ১ মাতারী(বিঃ...
সুলতান আলা-উদ-দ্বীন মুহাম্মাদ শাহ্'র মেবাড় বিজয়
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
প্রারম্ভিকা যেহেতু এই ব্যাপারটা নিয়ে লিখতে গিয়েই আমি রিপোর্ট খেয়েছি, তাই এবারে সুলতান আলা-উদ-দ্বীন মুহাম্মাদ শাহ্ খাল্জীর মেবাড় বিজয় নিয়ে বিস্তারিত ভাবেই লিখা শুরু করলাম। আমি যা লিখছি- তা বুঝিয়ে দেওয়ার দায়িত্বও আমার, তাই কিঞ্চিৎ বেশি ব্যাখ্যা ও অন্যান্য ঘটনাও এখানে তুলে ধরা হবে- যাতে সবাই বুঝতে পারেন। চিন্তা করে দেখলাম এক কল্পনাবিলাসী জাতীর রঙীন স্বপ্নের তৃপ্তি ও ১ নির্বোধ পরিচালকের বিরুদ্ধে যুক্তি প্রমাণ দাড় করানোর চেয়ে মেবাড় বিজয়ের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরাটাই শ্রেয়, তাই বিস্তারিত ভাবে শুধু মেবাড় বিজয়ের ঘটনাবলিই তুলে ধরছিঃ সুলতান আলা-উদ-দ্বীন খাল্জী সিংহাসনে আরোহণের পূর্বে ১ম কারাহ্ প্রদেশের শাসনভার প্রাপ্ত হন ১২৯০ ঈসায়ীতে। সুলতান বাল্বানের ভাগ্নে ও কারাহ্'র সাবেক শাসনকর্তা মালিক সাজ্জ’র বিদ্রোহ দমন করার পুরষ্কারসরুপ আলা-উদ-দ্বীন কারাহ্’র শাসনভার প্রাপ্ত হন। তিনি উচ্চাভিলাষী সামরিক অভিযাত্রী ছিলেন, বিধায় চাচার অনুমতিক্রমে প্রথমেই তিনি ১২৯২ ঈসায়ীতে মালব আক্রমণ করেন ও এর রাজধানী বিদিশা(ভিলসা) পর্যন্ত অধিকার করে নেন! ৭,০০০ ঘোড়া ও অগণিত গানীমাহ্ নিয়ে তিনি ফিরে এলে সুলতান ...
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
সুলতান আলা-উদ-দুন্ইয়া-ওয়াদ-দ্বীন মুহাম্মাদ শাহ্ খাল্জী প্রারম্ভিকা আলী গর্সাম্প্ যিনি ইতিহাসে “আলা-উদ-দ্বীন খাল্জী” নামেই খ্যাত। যদিও উনার প্রকৃত নাম “ #আলী_গরসাম্প্ ” ও উপাধী “আলা-উদ-দ্বীন মুহাম্মাদ শাহ্ খাল্জী”। অনেকেই উনার উপাধীকে খল্জী কেউ কেউ বা খিল্জী বলে থাকেন, তা পুরোপুরিই ভুল। তারিখ-ই-ফিরুয শাহী’র মূল ফার্সী বইয়ে আমি খ-এর নিচে যের্ নয়- বরং প্রত্যেকটিতেই যবর্ দেখেছি, সেহেতু শুদ্ধ পদবী হচ্ছে “খাল্জী” খিলজী নয়। তাবাকাত-ই-নাছিরীতে যেই খাল্জ গোত্রের উল্লেখ আছে- সেই গোত্রের লোকেরাই খাল্জী পদবীধারণ করতেন। আমি ভারতের ইতিহাসে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক “আলা-উদ-দ্বীন মুহাম্মাদ শাহ্” সম্পর্কিত কিছু উল্লেখযোগ্য বিষয় নিয়ে আলোচনা কোরব ইনশা আল্লাহ্। শিরোনামটাই অনেকের কাছে আপত্তিকর ও অনেকের মনে বিভিন্ন প্রশ্নও এনে দিয়েছে জানি। সেগুলো হচ্ছে- অমুসলিমরা বোলবেন আমি কিসের ভিত্তিতে উনাকে অশোক ও ২য় চন্দ্রগুপ্তের উপরে স্থান দিলাম? মুসলিমরা বোলবে- আমি কিভাবে আওরঙ্গযেবের উপরে উনাকে স্থান দিলাম? এর উত্তর বিস্তারিত প্রতিটি পর্বেই পাবেন ইনশা আল্লাহ্। আপাতত শুধু এটুক-ই বলছি- ...